• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
Headline
Daily Morning Today’ র ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মাদক বিরোধী লাইভ কনসার্ট অনুষ্ঠিত। ডেইলি মর্নিং টুডে’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মাদকবিরোধী বার্তা, সি আর বি মাঠে জনস্রোত বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারি ডাক্তার লুসি খান মনোনয়ন ফরম নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের চট্টগ্রামের মেরিন ড্রাইভ এলাকায় ডজন মামলার আসামি সাইফুল গং এর চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। 🚩🔱 জয় ত্রিনাথ ঠাকুর 🔱🙏 ওঁ শ্রী ত্রিনাথায় নম:🙏🌺জয় শ্রী দ্বারিকানাথ সাধু 🌺🙏🙏 🌺 জয় শ্রী শ্রী সাধিকা মা 🌺🙏শ্রী গোবিন্দ চরণাশ্রিত সৌম্য প্রাণ, বাকলিয়া থানার বিশেষ অভিযানে ০৪ মামলার পলাতক আসামি দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শওকত আলী গ্রেফতার বাকলিয়া থানার বিশেষ অভিযানে ০৪ মামলার পলাতক আসামি দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শওকত আলী গ্রেফতার মোঃ সফিউল আজম রুবেল সিএমপি বাকলিয়া থানার পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে ০৪(চার) মামলার পলাতক দুর্ধর্ষ আসামী সন্ত্রাসী মোঃ শওকত আলী গ্রেফতার। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া, উপ-পুলিশ কমিশনার(দক্ষিণ) সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নেতেৃত্বে সঙ্গীয় মোঃ তারিকুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (চকবাজার জোন), মোহাম্মদ সোলাইমান, অফিসার ইনচার্জ, বাকলিয়া থানা, তানভীর আহম্মেদ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত),বাকলিয়া থানা, সিএমপি, চট্টগ্রাম এবং থানার অফিসার ফোর্সের অভিযানিক টিম, ০৬ এপ্রিল রাত আনুমানিক ০৩:৩০ মিনিটের সময় অভিযান পরিচালনা করে বাকলিয়া থানাধীন তক্তারপুল, আলী স্টোর বিল্ডিংয়ের পিছনে নেক্কার বাড়ী, শতাব্দী টাওয়ারের ৫ম তলার নিজ বাসা হইতে ১। বাকলিয়া থানার মামলা নং-০৩(০৪)২৬, ২। বাকলিয়া থানার মামলা নং-১১(০৪)২৬ইং, বাকলিয়া-০৭(০৪)২৬ইং, বাকলিয়া-০২(০৭)২৫, মামলার সমূহের ঘটনায় সরাসরি জড়িত এজাহার নামীয় ও তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক দুর্ধর্ষ আসামী মোঃ শওকত আলী প্রঃ শওকত (২৬), পিতা- মোঃ ইদ্রিস মিয়া, মাতা- সালমা বেগম, সাং-আশরাফপুর, মীর বাড়ী, ০৯নং ওয়ার্ড, থানা- কঁচুয়া, জেলা -চাঁদপুর, বর্তমানে-তক্তারপুল, আলী স্টোর বিল্ডিংয়ের পিছনে নেক্কার বাড়ী, শতাব্দী টাওয়ারের ৫মতলা, থানা- বাকলিয়া, জেলা –চট্টগ্রামকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। এছাড়াও থানার রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করিয়া আসামীর বিরুদ্ধে ১। সিএমপি এর বাকলিয়া থানার মামলা নং-২১(০৭)২৫ পাওয়া যায়। উল্লেখ্য যে গত শনিবার নগরীর বাকলিয়া ময়দার মিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১২ বছরের এক শিশু ছোঁড়া গুলিতে আহত সহ আরো একাধিক পথচারী আহতের ঘটনায় এই সন্ত্রাসীর শওকতের জড়িত থাকার কথা জানান স্থানীয় এলাকাবাসী। ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করলেন এস.এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) উপমহাদেশের প্রখ্যাত ঢোল বাদক বিনয়বাঁশী জলদাসের ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী ৫ এপ্রিল রবিবার চট্টগ্রামে আগামীকাল ইয়াওমে গাজওয়ায়ে উহুদ ও ফাতেহা শরিফ মাহফিল

টাকার খেলায় মেতে উঠেছেন গণপূর্তের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল

Reporter Name / ২৮৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতেবেদকঃ

বাংলাদেশের গণপূর্ত অধিদপ্তর বহু বড় সরকারি অবকাঠামো প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর। এই প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে বছরের পর বছর ধরে ঘুষুদুর্নীতি, টেন্ডার কারসাজি ও পদোন্নতি বাণিজ্যের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় এসেছেন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইএম) আশরাফুল হক। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কেবল নিজের পদোন্নতি নয়, বরং একদল প্রকৌশলীকে অবৈধভাবে পদোন্নতি দেওয়ার জন্য কোটি কোটি টাকার কারসাজির খেলায় নেমেছেন।
এই প্রতিবেদনে তার পদোন্নতি মিশন, ঘুষের চক্র, বৈদেশিক সম্পদ সঞ্চয়, রাজনৈতিক আশ্রয় এবং সহকর্মীদের চোখে তার অবস্থান—সবকিছু খতিয়ে দেখা হয়েছে।
আশরাফুল হক বর্তমানে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ইএম) পদে রয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি সম্প্রতি সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার পদে একসাথে ১১ জন প্রকৌশলীকে পদোন্নতি পাইয়ে দেওয়ার জন্য লবিং শুরু করেন। অথচ তাদের অনেকেই সিনিয়র স্কেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হননি, যা আইনগতভাবে পঞ্চম গ্রেডের উপরে পদোন্নতির জন্য বাধ্যতামূলক।
সূত্র মতে, তিনি প্রতিটি প্রার্থী থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ গ্রহণ করে চিফ ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। এ নিয়োগুপদোন্নতি বাণিজ্যের পেছনে তার প্রত্যক্ষ হাত থাকার অভিযোগে গণপূর্ত ভবনে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে পদোন্নতি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। নির্দিষ্ট যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, সিনিয়রিটি ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরই উচ্চ পদে উন্নীত হওয়ার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু আশরাফুল হক নাকি সেই নিয়ম পাশ কাটিয়ে অর্থের বিনিময়ে “শর্টকাট পদোন্নতির” পথ খুলে দিয়েছেন।
একজন প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন- “সিনিয়র স্কেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার কোনো রেকর্ড ছাড়াই লোকজনকে পদোন্নতির চেষ্টা চলছে। সবই টাকার খেলা। যিনি যত বড় অঙ্ক দিয়েছেন, তিনি তত দ্রুত সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার লাইনে।” এমন অভিযোগ প্রমাণ করে যে, গণপূর্তের পদোন্নতি প্রক্রিয়া এখন ‘টাকার বিনিময়ে রূপান্তরিত বাজার’ এ পরিণত হয়েছে।
অভিযোগ আছে, আশরাফুল হক প্রতি টেন্ডারে ঠিকাদারদের কাছ থেকে ২% কমিশন বাধ্যতামূলকভাবে গ্রহণ করেন। শুধু তাই নয়, টেন্ডারের ফাইল প্রক্রিয়ায় ইচ্ছাকৃত ভুল ধরে আরও ৫% পর্যন্ত ঘুষ আদায় করা হয়।
একজন ঠিকাদার বলেন- “তিনি টেন্ডারে এমনভাবে টেকনিক্যাল ভুল বের করেন যে, আমাদের হাতে একটাই পথ থাকে—টাকা দেওয়া। টাকা দিলে সব সমস্যা মিটে যায়, না দিলে কাজ বাতিল।” এভাবে কোটি কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের অর্থের বড় অংশ ব্যক্তিগত পকেটে চলে যাচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, আশরাফুল হক ইতোমধ্যে দুই ছেলেকে কানাডায় পাঠিয়ে দিয়েছেন উচ্চশিক্ষার নামে। নিয়মিতভাবে ডলার পাচার করে সেখানে সম্পদ গড়ে তোলার তথ্যও আলোচনায় এসেছে।
দফতরের এক সহকর্মী দাবি করেন- “তিনি মাসে কয়েকবার হুন্ডির মাধ্যমে ডলার পাঠান। ঢাকায় তার একাধিক ফ্ল্যাট ও জমি আছে। সবই টেন্ডার ও ঘুষ থেকে সংগৃহীত।”
এই তথ্যগুলো তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার আইনে তদন্তের দাবি তুলছে।
আশরাফুল হক নিজের অবস্থান শক্ত করতে রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া নেয়ার ক্ষেত্রেও কৌশলী। জানা গেছে, শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধির বৈদ্যুতিক কাজের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি সক্রিয় ভূমিকা নেন, যাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়।
তবে অনেকেই মনে করেন, তার এই পদক্ষেপ মূলত নিজের পদোন্নতি ও অবৈধ কর্মকাণ্ড আড়াল করার কৌশল।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভেতরে আশরাফুল হককে নিয়ে প্রবল অসন্তোষ রয়েছে। সহকর্মীরা তাকে বিদ্রূপ করে বলেন- “লোকটা যেমন বাইরে কালো, ভেতরটাও তেমনি কালো।”
এই মন্তব্যই প্রমাণ করে যে, তার ঘুষুদুর্নীতি কেবল বাইরের অভিযোগ নয়, ভেতরের কর্মীদেরও নীরব কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছে।
পাবলিক সার্ভিস রুল অনুযায়ী, সিনিয়র স্কেল পরীক্ষা ছাড়া সুপারিনটেন্ডিং ইঞ্জিনিয়ার পদে উন্নীত হওয়ার সুযোগ নেই। যদি আশরাফুল হকের পদোন্নতিুচেষ্টা সত্যি হয়, তবে তা সরাসরি সরকারি কর্মচারী আইন ও দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ভঙ্গের শামিল।
আইন বিশেষজ্ঞ অ্যাডভোকেট একরামুল কবির বলেন-“এ ধরনের পদোন্নতি বাণিজ্য সরকারি প্রশাসনের নৈতিকতা ধ্বংস করছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের উচিত অবিলম্বে তদন্ত শুরু করা।”
অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো উঠেছে—তা শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং সমগ্র গণপূর্ত অধিদপ্তরের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করছে। পদোন্নতি বাণিজ্য, ঘুষুদুর্নীতি, অর্থপাচার ও রাজনৈতিক আশ্রয়ের জটিল জালে তিনি আজ “গভীর জলের মাছ” হয়ে উঠেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

বাকলিয়া থানার বিশেষ অভিযানে ০৪ মামলার পলাতক আসামি দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শওকত আলী গ্রেফতার মোঃ সফিউল আজম রুবেল সিএমপি বাকলিয়া থানার পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে ০৪(চার) মামলার পলাতক দুর্ধর্ষ আসামী সন্ত্রাসী মোঃ শওকত আলী গ্রেফতার। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া, উপ-পুলিশ কমিশনার(দক্ষিণ) সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নেতেৃত্বে সঙ্গীয় মোঃ তারিকুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ কমিশনার (চকবাজার জোন), মোহাম্মদ সোলাইমান, অফিসার ইনচার্জ, বাকলিয়া থানা, তানভীর আহম্মেদ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত),বাকলিয়া থানা, সিএমপি, চট্টগ্রাম এবং থানার অফিসার ফোর্সের অভিযানিক টিম, ০৬ এপ্রিল রাত আনুমানিক ০৩:৩০ মিনিটের সময় অভিযান পরিচালনা করে বাকলিয়া থানাধীন তক্তারপুল, আলী স্টোর বিল্ডিংয়ের পিছনে নেক্কার বাড়ী, শতাব্দী টাওয়ারের ৫ম তলার নিজ বাসা হইতে ১। বাকলিয়া থানার মামলা নং-০৩(০৪)২৬, ২। বাকলিয়া থানার মামলা নং-১১(০৪)২৬ইং, বাকলিয়া-০৭(০৪)২৬ইং, বাকলিয়া-০২(০৭)২৫, মামলার সমূহের ঘটনায় সরাসরি জড়িত এজাহার নামীয় ও তদন্তে প্রাপ্ত পলাতক দুর্ধর্ষ আসামী মোঃ শওকত আলী প্রঃ শওকত (২৬), পিতা- মোঃ ইদ্রিস মিয়া, মাতা- সালমা বেগম, সাং-আশরাফপুর, মীর বাড়ী, ০৯নং ওয়ার্ড, থানা- কঁচুয়া, জেলা -চাঁদপুর, বর্তমানে-তক্তারপুল, আলী স্টোর বিল্ডিংয়ের পিছনে নেক্কার বাড়ী, শতাব্দী টাওয়ারের ৫মতলা, থানা- বাকলিয়া, জেলা –চট্টগ্রামকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। এছাড়াও থানার রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করিয়া আসামীর বিরুদ্ধে ১। সিএমপি এর বাকলিয়া থানার মামলা নং-২১(০৭)২৫ পাওয়া যায়। উল্লেখ্য যে গত শনিবার নগরীর বাকলিয়া ময়দার মিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১২ বছরের এক শিশু ছোঁড়া গুলিতে আহত সহ আরো একাধিক পথচারী আহতের ঘটনায় এই সন্ত্রাসীর শওকতের জড়িত থাকার কথা জানান স্থানীয় এলাকাবাসী।