নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত ঐতিহ্যবাহী সাপ্তাহিক পূর্ববাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক মরহুম জাফর হায়াত-এর মৃত্যুর পর পত্রিকাটির মালিকানা, প্রকাশনার অধিকার এবং ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক দেখা দিয়েছে।অভিযোগ উঠেছে, প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুর পর যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে পত্রিকাটির নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত মালিকানা ও আইনগত বৈধতা যাচাই করা প্রয়োজন।এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে পত্রিকাটির সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি অতীতে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন রাজনৈতিক পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সাপ্তাহিক পূর্ববাংলা সম্পাদক ও প্রকাশক জাফর হায়াত। জাফর হায়াত মৃত্যুর পরে সুকৌশলে অবৈধভাবে সাপ্তাহিক পূর্ববাংলা প্রত্রিকাটি হাতিয়ে নিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ওয়াসিকার মিডিয়া সমন্নয়কারী পরিচয় দানকারী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের নেতা আওয়ামী লীগ দোসর চাঁদাবাজ সাংবাদিক পর এম আলী চৌধুরী।৫ আগষ্ট এর সুকৌশলে কোলশ পাল্টিয়ে জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সাজার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।যেসব বিষয় তদন্তের দাবি রাখেমরহুম জাফর হায়াতের মৃত্যুর পর প্রকাশক পরিবর্তনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না।সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে প্রকাশক ও ঘোষণাপত্র (ডিক্লারেশন) পরিবর্তনের নথিপত্র।উত্তরাধিকারী বা আইনগত দাবিদারদের সম্মতি ছিল কি না।পত্রিকার মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন অনুসরণ করা হয়েছে কি না।বিশেষজ্ঞদের মত গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সংবাদপত্রের মালিকানা বা প্রকাশক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আইন, ঘোষণাপত্র, আদালতের আদেশ (যদি প্রযোজ্য হয়) এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এসব প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত হওয়া উচিত।নাম প্রকাশ না শর্তে জনৈক ব্যাক্তি বলেনসাপ্তাহিক পূর্ববাংলা সম্পাদক ও প্রকাশক জাফর হায়াত এর মৃত্যুর জন্য আওয়ামী লীগ দোসর চাঁদাবাজ সাংবাদিক পর এম আলী কে দায়ী করছে।সাপ্তাহিক পূর্ববাংলার মালিকানা ও প্রকাশনা-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত হলে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে এবং সংবাদপত্রটির ঐতিহ্য ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষা পাবে।